রোনালদিনহোর এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি ক্লাবের জন্য নয়, বরং পুরো ফুটবল বিশ্বের জন্যই বিশেষ এক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আধুনিক ফুটবলে যেখানে বেশিরভাগ খেলোয়াড় ৩৫ পেরোলেই অবসরের পথে হাঁটেন, সেখানে ৪৬ বছর বয়সে আবার প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফেরা নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, রোনালদিনহোর অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ এবং মাঠে তার সৃষ্টিশীল উপস্থিতি রাভেন্নার মতো ক্লাবের জন্য বড় সম্পদ হতে পারে। যদিও বয়সের কারণে আগের মতো গতি বা ফিটনেস ধরে রাখা কঠিন হবে, তবুও তার খেলার মেধা ও কৌশল এখনো প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
সমর্থকদের মধ্যেও এই ঘোষণাকে ঘিরে দেখা দিয়েছে দারুণ উচ্ছ্বাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই রোনালদিনহোর ফেরাকে ফুটবলের ‘ম্যাজিকের প্রত্যাবর্তন’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। বিশেষ করে তার পুরোনো ভক্তরা আবারও মাঠে সেই পরিচিত হাসি, অসাধারণ স্কিল আর চমকপ্রদ পাস দেখার অপেক্ষায় আছেন।
এখন দেখার বিষয়, দীর্ঘ বিরতির পর রোনালদিনহো কতটা সফলভাবে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন এবং ইতালির তৃতীয় সারির লিগে কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত—তার মাঠে ফেরা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নতুন করে উন্মাদনা তৈরি করেছে।


